বগুড়ার শিবগঞ্জে উপজেলা নির্বাচন ও মসজিদের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের মেঘাখর্দ্দ গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় ঐ দিনই এক যুবলীগ নেতাসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মেঘাখর্দ্দ মসজিদ নিয়ে কয়েকমাস যাবৎ দেউলী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শাকিরুল ইসলাম ও স্থানীয় বাসিন্দা বোরহান উদ্দিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিলো। সদ্য সমাপ্ত উপজেলা নির্বাচনে ঐ দুই পক্ষ দুইজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থনে কাজ করেছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছে।
গত সোমবার সন্ধ্যায় বোরহান আলীর লোকজনের সাথে শাকিরুলের লোকজনের বাকবিতন্ডা হয়। এসময় উভয় পক্ষ সশস্ত্র সংঘর্ষে জড়িয়ে পরলে ঐ গ্রামের আলম মিয়া(৫৫), শেখ সাদী(৪৫),সালাউদ্দিন আহমেদ ভুতুল(৪৮) ও আবু সালেক(৬৫) আহত হন। আহতদের মধ্যে সালাউদ্দিন আহমেদ ভুতুলের অবস্থা আশঙ্কা জনক ছিলো। বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সালাউদ্দিন আহমেদ ভুতুলের মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আশিক ইকবাল জানান, ঘটনার দিন সোমবারেই যুবলীগ নেতা শাকিরুল ইসলাম ও মন্টু মিয়া নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এঘটনায় থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। বুধবার আসামীদের মধ্যে পাঁচ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে আদালত তাঁদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। সালাউদ্দিন আহমেদ ভুতুল আহত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করায় ঐ মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রুপ দেয়া হবে।